Text size A A A
Color C C C C
পাতা

কী সেবা কীভাবে পাবেন

নাগরিক সেবার তথ্য সারনী

 

ক্রঃ নং

বিভাগ/দপ্তর

সেবা সমূহ/সেবার নাম

দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা/কর্মচারী

সেবা প্রদানের পদ্ধতি

সেবা প্রদানের প্রয়োজনীয় সময়

সেবা প্রদানের প্রয়োজনীয় ফি

সংশি­ষ্ট আইন/বিধিবিধান

সেবা প্রদানে ব্যর্থ হলে প্রতিকারের বিধান

ফ্রিকোয়েন্সী

১।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর

গবাদিপশুর চিকিৎসা প্রদান

 

ভেটেরিনারি সার্জন

উপজেলা প্রাণি হাসপাতালে অসুস্থ গবাদিপশুর চিকিৎসা প্রদান করা হয়ে থাকে। খামারী/গবাদিপশুর মালিকগন অসুস্থ গবাদিপশুকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন । সেখানে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষার  পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপত্র সহ ঔষধ প্রধান করা হয়ে থাকে।

তাৎক্ষনিক

প্রযোজ্য নয়

পশুকে আরাম দায়ক পরিবেশে চিকিৎসা প্রদান করিতে হইবে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা

গবাদিপশু পালনকারী সকল লোক জড়িত।

১৬ কোটি লোক জড়িত

২।

 

কৃত্রিম প্রজনন সম্প্রসারণ

মাঠ সহকারী কৃত্রিম প্রজনন

গাভী গরম হওয়ার ১০-২০ ঘন্টার মধ্যে গাভীকে প্রজনন করানো হয়। খামারী /পশুর মালিকগণ গাভী গরম হওয়ার পর প্রজনন কেন্দ্রে নিয়ে আসে। উপযুক্ত পরীক্ষা নিরীক্ষার পর সরকারী রশিদের মাধ্যমে ফি আদায়ের পর নিয়ম অনুযায়ী কৃত্রিম প্রজনন করানো হয়।

গাভী গরম হওয়ার পর ১০-২০ ঘন্টার মধ্যে।

১৫/-

৩০/-

দ্বিতীয় /পুনঃ প্রজনন ফ্রি

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা

৫০ লক্ষ লোক জড়িত

৩।

 

গবাদিপশুর টিকাদান

ইউএলএ, ভিএফএ,

নিয়মিতভাবে এলাকার চাহিদা অনুযায়ী নিবিড় টিকাদান কর্মসূচী পরিচালনা করা হয়ে থাকে। কমপক্ষে ১৫ দিন অম্তর এক একটি রোগের প্রতিষেধক রোগের টিকা প্রদান করা হয়ে থাকে।

হঠাৎ কোন রোগের প্রাদুর্ভা&ব দেখা দিলে জরম্নরী ভিত্তিতে ঐ রোগের টিকা প্রদান করা হয়।

নির্দিষ্ট পশুকে নির্দিষ্ট রোগের টিকা প্রদান করা হয়।

৭ দিন

 

 

 

 

 

২দিন

 

টিকা প্রাপ্তি সাপেক্ষে

সরকার নির্ধারিত মূল্য

অসুস্থ পশুকে টিকা দেওয়া যাবে না।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা

ছয় কোটি লোক জড়িত

৪।

 

হাঁস-মুরগীর টিকাদান

ইউএলএ, ভিএফএ,

প্রতি সপ্তাহে একদিন উপজেলা প্রাণি হাসপাতালে হাঁস-মুরগীর টিকা প্রদান করা হয়।

ইউনিয়ন পশুপাখী কল্যান কেন্দ্রে প্রয়োজন অনুযায়ী টিকা প্রদান করা হয়ে থাকে ।

সেবাকর্মীর মাধ্যমে কোন নির্দিণ্ট এলাকায় চাহিদা মোতাবেক টিকা প্রদান করা হয়ে থাকে।

সরকারী/বেসরকানী খামার সমূহে রুটিন মাফিক টিকা প্রদান করা হয়।

৭ দিন

সরকার নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী ফি আদায় করা হয়।

অসুস্থ হাঁস-মুরগীকে টিকা দেওয়া যাবে না।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা

২ দুই (কোটি) লোক জড়িত

৫।

 

প্রশিক্ষণ

 উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা

প্রয়োজনীয় বরাদ্দ পাওয়ার পর ভিএফএ, ইউএলএ এবং ইউপি মেম্বার সমন্বয়ে তালিকা প্রনয়ণ করার পর ইউপি সভা এবং উপজেলা পরিষদ সভায় তালিকা অনুমোদনের পর প্রশিক্ষণের দিন, তারিখ এবং সময় নির্ধারণ করা হয় এবং সংশিষ্টদের অবহিত করা হয়। প্রয়োজন অনুযায়ী অতিথি বক্তা নির্বাচন করা হয়। নির্দিষ্ট সময় প্রশিকনর দেওয়ার পর প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করা হয়।বীফ ফ্যাটেল ডেভেল্পমেন্ট প্রকল্পের আওতায় Need Based Training শীষক প্রশিক্ষণ ১৩০জন খামারীকে প্রশিক্ষণ ১দিন।

বিষয় অনুযায়ী সময়

নির্ধারণ কনা হয়।

প্রযোজ্য নয়

সংশিষ্ট এলাকার বাসিন্দা হতে হবে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা

 

 

 

 

গড়ে ৫০,০০০ জন প্রতি বছর

 

ঋণ বিতরণ

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা

প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদানের পর বরাদ্দ প্রাপ্তি সাপেক্ষে সরকারী নিয়ম মোতাবেক জন প্রতি হারে ঋণ প্রদান করা হয়। ক্ষুদ্র ঋণ উপজেলা অফিস থেকে এবং বুহদাকার ঋণ ব্যাংকের মাধ্যমে প্রদান করা হয়।

সংস্থান মোতাবেক

প্রযোজ্য নয়।

সংশিষ্ট এলাকার বাসিন্দা হতে হবে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা

 

 

 

 

গড়ে ৫০০০ জন প্রতি বছর

৭.

 

ক্ষতিপুরণ প্রদান

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা

সরকারী প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে হাঁস-মুরগী ধ্বংশ করার পর ধ্বংশকৃত মুরগীর তালিকা অনুযায়ী সরকারী ক্ষতিপুরণ দেওয়া হয়। ধ্বংশকৃত মোরগ মুরগীর তালিকা ইউএলও এবং ডিএলও সাহেবের মাধ্যমে মহাপরিচালক বরাবরে প্রেরণ করা হয়। মহাপরিচালক কতৃক অনুমোদনের পর প্রকল্প পরিচালকের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বরাবরে বরাদ্দ প্রদান করা হয় । জেলা প্রশাসক টাকা উত্তোলনের পর ইউএনও এবং ইউএলও সাহেবের মাথ্যমে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বিতরণ করা হয়।

৩০ দিন

সরকার নির্ধারিত

মূল্য অনুযায়ী ক্ষতিপুরণ প্রদান কনা হয়।

-

মহাপরিচালক প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর

গড়ে ৩০০ জন প্রতি বছর

৮.

 

প্রাণিজাত উৎপাদিত পণ্য বিক্রয়

খামার ব্যবস্থাপক, বিক্রয়কারী

সরকার কতৃক নির্ধারিত মূল্যে সরকারী খামার থেকে উৎপাদিত পণ্য সামগ্রী বিক্রয় করা হয়। উৎপাদিত পণ্য বিক্রয় কেন্দ্রে আনা হয় এবং সরকারী রশিদের মাধ্যমে টাকা আদায়ের পর পণ্য সরবরাহ করা হয়।

পণ্য প্রাপ্তি সাপেক্ষে

সরকার নির্ধারিত মূল্যে

নিধূারিত মূল্যের কম বা বেশী বিক্রয় করা যাবে না।

পরিচালক উৎপাদন

গড়ে বছরে ২ কোটি

৯.

 

লাইসেন্স/
 পারমিট/ সার্টিফিকেট/ অনুমতি পত্র ইস্যু

মহাপরিচালক প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর

নির্ধারিত ফি প্রদান সাপেক্ষে ঠিকদারী লাইসেন্স প্রদান করা হয়।গবাদিপশু আমদানী রপ্তানী পারমিট প্রদান করা হয়। বিদেশ থেকে আনিত/দেশথেকে বিদেশে নেওয়ার জন্য পশুর রোগমুক্ত সাটিঁফিকেট প্রদান করা হয়। গবাদিপশু জবাই এর পূর্বে সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। গবাদিপশুর ঔষধ, খাদ্যদ্রব্য, পোল্ট্রি ফিড ও ফিড এডিটিভ  আমদানির পূর্বে অনুমতি পত্র ইস্যু করা হয়।

৩০ দিন

সরকার নির্ধারিত মূল্যে

সরকারী বিধিবিধান অনুযায়ী।

সচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

৫০০ জন প্রতি বছর।

১০.

 

পুনর্বাসন ও উপকরণ সহায়তা

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা

দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে/বিশেষ পরিস্থিতিতে পুনর্বাসন  ও ক্ষতিপুরণ প্রদান করা হয়। সরকার কতৃক প্রদানকৃত/বরাদ্দকৃত অর্থ/উপকরণ  অগ্রাধিকার তালিকা প্রণয়নের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত খামারী/পালনকারীদের মাঝে পুনর্বাসন ও উপকরণ সহায়তা প্রদান করা হয়।

প্রাপ্তি সাপেকে্ ৭ দিন

বিনামূল্যে

সংশ্লিষ্ট এলাকার অধিবাসী হতে হবে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা।

গড়ে ৫০০০০০ জন প্রতি বছর

 

 

উপজেলা প্রাণি সম্পদ দপ্তর, ভালুকা, ময়মনসিংহ কর্তৃক ২০১১-২০১২ অর্থ বৎসরে

গবাদি প্রাণি ও হাঁস মুরগির টিকা প্রদান এবং চিকিৎসা কার্যক্রমঃ

টিকা প্রদান

 

১।     গবাদি প্রাণি                              =     ২২,০৬০ টি

২।     হাঁস মুরগি                                =     ১২,৬১,৫০০ টি

চিকিৎসা প্রদান

 

১।     গবাদি প্রাণি                              =     ৩,৪৯১ টি

২।     হাঁস মুরগি                                =     ৭৭,৩৩৫ টি

উপজেলা প্রাণি সম্পদ দপ্তর, ভালুকা, ময়মনসিংহ কর্তৃক ২০১২-২০১৩ অর্থ বৎসরেঅক্টোবর/১২ ইং মাস পর্যন্ত টিকা প্রদান ও চিকিৎসা কার্যক্রমঃ

টিকা প্রদান

 

১।     গবাদি প্রাণি                              =     ১০,৩৮০ টি

২।     হাঁস মুরগি                                =     ২,২১,৮০০ টি

চিকিৎসা প্রদান

 

১।     গবাদি প্রাণি                              =     ১,৩৬৯ টি

২।     হাঁস মুরগি                                =     ১৪,৬৭৪ টি

২২ (বাইশ) টি নির্বাচিত জেলায় ক্ষুদ্র দুগ্ধ ও মুরগির খামারীদের সহায়ক সেবাদান প্রকল্পের আওতায় জুন/১২ মাস পর্যন্ত ১০০ জন ক্ষুদ্র দুগ্ধ খামারী এবং ১০০ জন ক্ষুদ্র মুরগির খামারীদেরকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

২২ (বাইশ) টি নির্বাচিত জেলায় ক্ষুদ্র দুগ্ধ ও মুরগির খামারীদের সহায়ক সেবাদান প্রকল্পের আওতায় ২১২-২০১২ অর্থ বৎসরে  ২৫জন ক্ষুদ্র দুগ্ধ খামারী এবং ২৫ জন ক্ষুদ্র মুরগির খামারীদেরকে ১ (এক) দিনের রিফ্রেসার্স প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।